1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test test : test test
শিরোনাম :
ইস্টার্ন প্লাজার ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগ    মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে উত্তাপ ।    খাবার, আড্ডা আর উদযাপন — সব এক ছাদে, উত্তরায় খুললো ওয়াটার পার্ক    ৪৯তম বিসিএসের গেজেট: যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ শিবিরের    আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পাবনায় সমকালের জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব    ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: দেলাওয়ারকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতির নির্দেশ    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের মতবিনিময়    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা জজ শরীফ মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল    অভিযোগের পাহাড়, তবুও বেপরোয়া কাজল রেখা    বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজের বদলিতে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় স্বস্তি   

নিজস্ব প্রতিবেদক:


জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, মৌলিক জায়গায় আপনি যতই সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ করেন না কেন, ফেয়ারলি যদি রেজাল্ট ঘোষণা না হয়; এখানে যদি ইঞ্জিনিয়ারিং হয়, আপনি যদি এটা চেক দিতে না পারেন, পদক্ষেপ না নিতে পারেন; এখানে ওই একটা দায়সারা গোছের বক্তব্য দিলে হবে না।

তিনি বলেন, এখানে ইলেকশনের দায়িত্ব ইলেকশন কমিশনকেও নিতে হবে। আমরা ৩২টি আসনে ভোট পুনর্গণনা চেয়ে ইসিকে চিঠি দিয়েছি।

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে রোববার দুপুরে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের কাছে তিনি এ কথা বলেন। সিইসি না থাকায় বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিন কমিশনার ও ইসি সচিবও ছিলেন।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের নব নির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, লেবার পার্টির সভাপতি ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনসিপি, খেলাফত মজলিসের প্রতিনিধি।

ড. আযাদ বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি যে ১২ ফেব্রুয়ারির ইলেকশন তো কয়েকটি ধাপ আছে। একটা হচ্ছে ভোটগ্রহণ। দ্বিতীয় হলো ভোট গণনা। তৃতীয় হচ্ছে ফলাফল প্রকাশ। এই তিন ধাপের মধ্যে ভোট গ্রহণের বেলায় আমরা অতীতের তুলনায় কিছুটা গুণগত পরিবর্তন দেখেছি।

তিনি বলেন, ‘খুনাখুনি, বড় ধরনের সহিংসতা তেমন দৃশ্যমান ছিল না। তবে ভোট গ্রহণকালীন কেন্দ্রগুলো ভিজিট করতে গিয়ে আমরা যেটা দেখেছি, সেখানে অসুস্থ পরিবেশ বিরাজমান ছিল। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের সূচনা সুন্দর হলেও সমাপ্তি সুন্দর হয় নাই। এখানে জাল ভোট হয়েছে প্রচুর। কালো টাকার ছড়াছড়ি হয়েছে এবং কোথাও কোথাও হুমকি, ধামকি, সন্ত্রাস, মারামারি অথবা হামলার ঘটনা ঘটেছে। বড় ঘটনা না ঘটলেও সুষ্ঠ নির্বাচনে এগুলো প্রশ্নবিদ্ধ করার বিভিন্ন উপাদান তৈরি করে। সেকেন্ড বিষয় হচ্ছে, যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত ছিলেন মাঠ পর্যায়ে, সেখানে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে, প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলোর কার্যত কোনো ব্যবস্থা নিতে আমরা দেখি নাই।’

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘আজকে কমিশনও একই কথা বলেছেন যে এখনো চার শতাধিক হারানো পিস্তল উদ্ধার হয়নি। কিছু অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। আর অবৈধ অস্ত্র তো আছেই। সব মিলে নির্বাচনের মধ্যে প্রভাব তৈরির ক্ষেত্রে অস্ত্রগুলো ভূমিকা রেখেছে।’

ড. আযাদ অভিযোগ করেন, আরেকটা বিষয় হচ্ছে, কালো টাকা, অস্ত্র, হুমকি-ধামকির পাশাপাশি ইলেকশন ম্যানিপুলেশন করার কিছু কার্যক্রম আমরা লক্ষ্য করেছি। যেমন- কোনো কোনো কেন্দ্রে কর্তব্যরত অফিসাররাও নিজেরা ব্যালটে সিল মারার কাজে লিপ্ত ছিলেন বলে অভিযোগ আছে। দলীয় কর্মীরাও সিল মেরেছেন বলে অভিযোগ আছে। আবার ভোট গ্রহণকালে পথে বাধা দেয়া হয়েছে। ভয়-ভীতি ছড়ানো হয়েছে। ভোট কাস্টিং কম হয়েছে। ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।


তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে ইলেকশনে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়ার মধ্যে এই ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা গেছে। সেকেন্ড হচ্ছে ভোট গণনা। গণনার ক্ষেত্রে কত কত অ্যাজেন্টকে ফোর্স করে বের করা হয়েছে। সুষ্ঠু গণনার যে সুস্থ পরিবেশ দরকার, সেটা কোথাও ব্যহত হয়েছে। এটা ছিল না। ফলে ইলেকশন ভোট গণনার মধ্যে যদি ত্রুটি থেকে যায়, ফলাফলে তার প্রভাব পড়বে- এটাই স্বাভাবিক। রেজাল্ট শিটেও দেখা গেছে ঘষামাজা, কাটাছিটা, ওভাররাইটিং।’

ড. আযাদ বলেন, ৩২টি আসনের বাইরেও আমাদের কাছে এভিডেন্স সাফিশিয়েন্ট। আমাদের হাতে আরো আসতেছে, সেজন্য ব্যবধানের বাহিরেও বড় ব্যবধানে হারানোর যদি এখানে এভিডেন্স পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে আমরা আইনের আশ্রয় নেব।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সংস্কারে কিছু বিষয় মৌলিকভাবে এসেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে, এগুলো আমরা সুফল পাব। যেহেতু বাস্তবায়ন হয়নি, সুফল পাইনি। সেকেন্ড হচ্ছে ইলেকশন কমিশন তাদের বক্তব্য অনুযায়ী চেষ্টা করেছে, পরিশ্রম করেছে- এটা আমরা শুনেছি। এটা আমরা বিশ্বাসও করতে চাই।


This News Visited : 58 Times





Logo


সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবু হানিফ,
প্রকাশকঃ রাবেয়া খাতুন
নির্বাহী সম্পাদক ডক্টর মোঃ মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান (নজরুল)
কর্পোরেট অফিসঃ ৫১,৫১/এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (লিফটের-৬)পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগঃ ০১৯১১১০৭০২৬

© Copyright, Voice of Dhaka
Developed BY Tiger Infotech