1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test test : test test
শিরোনাম :
ইস্টার্ন প্লাজার ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগ    মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে উত্তাপ ।    খাবার, আড্ডা আর উদযাপন — সব এক ছাদে, উত্তরায় খুললো ওয়াটার পার্ক    ৪৯তম বিসিএসের গেজেট: যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ শিবিরের    আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পাবনায় সমকালের জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব    ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: দেলাওয়ারকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতির নির্দেশ    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের মতবিনিময়    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা জজ শরীফ মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল    অভিযোগের পাহাড়, তবুও বেপরোয়া কাজল রেখা    বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজের বদলিতে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় স্বস্তি   

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর উত্তরখান ও দক্ষিণখান এলাকায় একের পর এক অভিযোগ উঠলেও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত উত্তরখান থানা মহিলা দলের সাবেক আহ্বায়ক কাজল রেখার বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্যবসায়ীদের হয়রানি ও হামলার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অভিযোগের তালিকায় সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে ব্যবসায়ী এম এ মালেককে পিটিয়ে জখম করার ঘটনা।

সম্প্রতি উত্তরখানের মাস্টারপাড়ার মুক্তার মার্কেট এলাকায় এম এ মালেক নামে এক জমি ব্যবসায়ী হামলার শিকার হন। তাঁর স্বজনদের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা রড ও ইট দিয়ে তাঁকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। দীর্ঘদিন ধরে মালেকের কাছে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ ছিল কাজল রেখার বিরুদ্ধে।  এর আগে কাজল রেখাকে নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেছিলেন মালেক। এরপর ক্ষুব্ধ হয়ে কাজল রেখার ছেলে মুন ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে কুপিয়ে জখম করেন ।

বহিষ্কারেও থামেনি অভিযোগ: চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগের পর বিএনপি কাজল রেখাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে । কিন্তু স্থানীয়দের প্রশ্ন, দলীয়ভাবে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও যদি তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ উঠতে থাকে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা কোথায়?

স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ যেন আইনের ঊর্ধ্বে না থাকেন। তাঁদের অভিযোগ, বহিষ্কার সাংগঠনিক শাস্তি হলেও অপরাধের অভিযোগ থাকলে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব প্রশাসনের।

অভিযোগের পরও কেন থমকে আছে ব্যবস্থা:

কাজল রেখা ও তাঁর ছেলেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন-অভিযোগগুলো তদন্তের পর্যায়ে কোথায় আছে? কোনো মামলা হয়ে থাকলে তার তদন্ত কতদূর এগিয়েছে, অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ বা গ্রেপ্তারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, আর ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তায় প্রশাসনের ভূমিকা কী-এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর চান এলাকাবাসী।

ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনও বলেছেন, কেউ বিএনপি করে বলে অপরাধ করে পার পেয়ে যাবে-এমন সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দল-মত নির্বিশেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় স্বচ্ছ বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলছেন- কাজল রেখার দৌরাত্বেও কারনে বিএনপির সুনাম ক্ষূন্ন হচ্ছে। সম্প্রতি থানায় প্রভাব খাটিয়ে একজন বাসিন্দার নামে সে মিথ্যা মামলা দেয়। অথচ, যার নামে ঘটনা বর্ণনা করে মামলা দেওয়া হয়, ওই সময় সে ব্যক্তি দেশের বাহিরে চিকিৎসার জন্য অবস্থান করছিলেন। এছাড়া সে চাঁদাবাজি করছে নিয়মিত এবং জমি দখলের হুমকি দিয়ে মানুষকে জিম্মি করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা দলীয় পদ কোনো ব্যক্তিকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখতে পারে না। অভিযোগ মিথ্যা হলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও পরিষ্কার করা হোক। আর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি যে দলেরই হোন, তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

কাজল রেখা ও তাঁর ছেলেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।


This News Visited : 35 Times





Logo


সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবু হানিফ,
প্রকাশকঃ রাবেয়া খাতুন
নির্বাহী সম্পাদক ডক্টর মোঃ মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান (নজরুল)
কর্পোরেট অফিসঃ ৫১,৫১/এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (লিফটের-৬)পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগঃ ০১৯১১১০৭০২৬

© Copyright, Voice of Dhaka
Developed BY Tiger Infotech