1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test test : test test
শিরোনাম :
ইস্টার্ন প্লাজার ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগ    মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে উত্তাপ ।    খাবার, আড্ডা আর উদযাপন — সব এক ছাদে, উত্তরায় খুললো ওয়াটার পার্ক    ৪৯তম বিসিএসের গেজেট: যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ শিবিরের    আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পাবনায় সমকালের জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব    ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: দেলাওয়ারকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতির নির্দেশ    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের মতবিনিময়    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা জজ শরীফ মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল    অভিযোগের পাহাড়, তবুও বেপরোয়া কাজল রেখা    বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজের বদলিতে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় স্বস্তি   

নিজস্ব প্রতিবেদক,

ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকেই প্রথমেই চিনির বদলে প্রাকৃতিক বিকল্পের দিকে ঝুঁকেন। বিশেষ করে গুড় ও মধুকে অনেক সময় নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো  এগুলো কি আসলেই চিনি থেকে নিরাপদ? নাকি এগুলোও রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে? চলুন, জেনে নিই।

সাম্প্রতিক গবেষণা ও বিশেষজ্ঞ মতামত বলছে, শুধু প্রাকৃতিক বলেই সবকিছু নিরাপদ নয়।


গুড়-মধুর মতো প্রাকৃতিক মিষ্টির প্রভাবও বুঝেশুনে গ্রহণ করা জরুরি, বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে। টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁচা মধু রক্তে শর্করা (গ্লুকোজ) ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। মধুতে থাকা বিরল শর্করা (যেমন : আইসোমাল্টুলোজ, ট্রেহ্যালোজ) পাচনতন্ত্রে ভালো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। মধু খাওয়া যেতে পারে তবে প্রতিদিন নয় এবং পরিমিত পরিমাণে খাওয়া জরুরি।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক রিপোর্ট জানিয়েছে ফলে থাকা প্রাকৃতিক চিনি সাধারণত ক্ষতিকর নয়। কারণ ফলের সাথে ভিটামিন, ফাইবার এবং অন্য পুষ্টিগুণ থাকে, যা চিনি ধীরে শোষণ করে।
গুড় সম্পর্কে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 
গুড় রাসায়নিকভাবে চিনি থেকে জটিল এবং এতে কমপ্লেক্স সুক্রোজ থাকে। এটি পরিশোধিত চিনি থেকে তুলনামূলক বেশি পুষ্টিগুণ যুক্ত করে, যেমন আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম।

তবে গুড়ের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি থাকে যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। তাই রক্তে শর্করার ওঠানামা রোধে গুড় সম্পূর্ণ নিরাপদ বিকল্প নয়।
গুড় বা মধু স্বাভাবিকভাবে প্রাকৃতিক মনে হলেও, এগুলো ঠিক কতটা নিরাপদ, তা নির্ভর করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য অবস্থার ওপর। শুধুমাত্র মিষ্টির উৎস নয়, জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণই দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা দান করে। খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনতে চাইলে চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


This News Visited : 48 Times





Logo


সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবু হানিফ,
প্রকাশকঃ রাবেয়া খাতুন
নির্বাহী সম্পাদক ডক্টর মোঃ মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান (নজরুল)
কর্পোরেট অফিসঃ ৫১,৫১/এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (লিফটের-৬)পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগঃ ০১৯১১১০৭০২৬

© Copyright, Voice of Dhaka
Developed BY Tiger Infotech