1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test test : test test
শিরোনাম :
ইস্টার্ন প্লাজার ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগ    মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে উত্তাপ ।    খাবার, আড্ডা আর উদযাপন — সব এক ছাদে, উত্তরায় খুললো ওয়াটার পার্ক    ৪৯তম বিসিএসের গেজেট: যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ শিবিরের    আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পাবনায় সমকালের জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব    ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: দেলাওয়ারকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতির নির্দেশ    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের মতবিনিময়    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা জজ শরীফ মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল    অভিযোগের পাহাড়, তবুও বেপরোয়া কাজল রেখা    বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজের বদলিতে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় স্বস্তি   

মোঃ ইস্রাফিল হোসেন
বি.বি.এস,
এম.বি.এ (এইস.আর. এম). 

 

*** আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পি.আর)
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পি.আর) বলতে এমন কোনও নির্বাচনী ব্যবস্থাকে বোঝায় যার অধীনে একটি ভোটারদের উপগোষ্ঠী নির্বাচিত সংস্থায় আনুপাতিকভাবে প্রতিফলিত হয়। ধারণাটি মূলত ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজনের (রাজনৈতিক দলগুলির) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই ধরনের ব্যবস্থার লক্ষ্য হল প্রদত্ত সমস্ত ভোট ফলাফলে অবদান রাখে যাতে একটি পরিষদের প্রতিটি প্রতিনিধি প্রায় সমান সংখ্যক ভোটার দ্বারা নির্বাচিত হন, এবং তাই সমস্ত ভোটের সমান গুরুত্ব থাকে। অন্যান্য নির্বাচন ব্যবস্থার অধীনে, একটি জেলায় সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা - এমনকি কেবল একটি বহুত্ব - একজন সদস্য বা সদস্যদের গোষ্ঠীকে নির্বাচিত করার জন্য যা প্রয়োজন তা হল। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা বিভিন্ন উপদলকে সুষম প্রতিনিধিত্ব প্রদান করে, সাধারণত দলগুলি দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয়, যা ভোট কীভাবে দেওয়া হয়েছিল তা প্রতিফলিত করে। যেখানে শুধুমাত্র একটি দলের পছন্দের অনুমতি দেওয়া হয়, সেখানে প্রতিটি দল যে ভোট পেয়েছে তার সংখ্যা বা ভোট ভাগের অনুপাতে আসনগুলি দলগুলিকে বরাদ্দ করা হয়।


*** আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পি আর) এর সুবিধা সমূহঃ 
** ১মঃ
দেশে প্রচলিত পদ্ধতির নির্বাচনে কোনো সংসদীয় এলাকায় যে দলের পার্থী সর্বোচ্ছ সংখ্যক ভোট পাবেন তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হবেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট নিজস্ব এলাকার মোট ভোটের ২৫% থেকে ৪০% ভোট পেলেই তিনি সংসদ মনোনীত হবার সুযোগ থাকে, বাকি ৬০% থেকে ৭৫% ভোটার সেই মনোনিত প্রার্থীকে অপছন্দ করলেও তাঁর সব অনৈতিক কাজ এবং কথা সকলে মানতে বাধ্য। একই ভাবে সারা দেশে কোনো দলের প্রাপ্ত ভোট ৩০% থেকে ৪০% হলেও উক্ত দল ক্ষমতায় যেতে পারে। বাকি ৬০% থেকে ৭০% ভোটারের যৌক্তিক এবং ন্যায়সংগত কাজের মুল্যায়ন হয় না। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যে কয়টি সুষ্ঠ  নির্বাচন হয়েছে কোনো দলই এককভাবে ৪০% এর বেশী ভোট পায়নি কিন্তু সরকার গঠনে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু পি আর পদ্ধতির নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে দল বা যে মার্কায় মোট ভোটারের যত পার্সেন্ট ভোট পাবে সে অনুযায়ী সংসদ পাবেন এবং ৩০০ আসন বিশিষ্ট সংসদে কমপক্ষে ১৫১ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে হয় তাতে যে কয়টি দলের সমর্থন প্রয়োজন হউক না কেন?। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ভোটার প্রায় ১২ কোটি,৭৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৮৩ জন। তাদের মধ্যে বর্তমান পদ্ধতিতে মাত্র ৩ কোটি থেকে ৪ কোটি ভোট পেয়েই একটি দল সরকার গঠন করার ক্ষেত্র তৈরী হওয়ার সুযোগ আছে, যার ফলে অবশিষ্ট ৮ কোটি সচেতন ভোটারকে শাসন ও শোষণ করার সুযোগ থাকে। এতে করে সকলে নির্বাচিত দলের নির্দেশ মানতে বাধ্য, যার কারনে যোগ্য লোকের মুল্যায়ন হয় না, দেশে দূর্নীতি ও সামাজিক অবক্ষয় বাড়ে। অনেকের মন্তব্য, যে সকল দলের দুই/একজন এমপি হওয়ার ক্ষমতা নেই তারাই পি আর পদ্ধতির নির্বাচন চায়। প্রকৃতপক্ষে ৫/১০টি দল মিলে যদি সরকার গঠন করে, সেখানে কোনো দলীয় বা সংসদীয় কোন সিন্ডিকেট তৈরির সুযোগ একেবারেই কম থাকে উপরন্ত এক দল অন্য দলের সংসদের প্রতি কঠোর নজরদারি রাখার কারনে শুদ্ধাচার তৈরি হয় এবং জবাবদিহিতার মাঝে লুটপাট, অন্যায়-অবিচার, চামচামি ও লেজুড়বিত্তির সংস্কৃতি দুর হয়।
** ২য়ঃ
বাংলাদেশে নির্বাচন দলীয়ভাবে হওয়ার কারনে দলে যোগ্য প্রার্থী কম থাকলেও প্রতিটি দলই পূর্ণ ৩০০ আসনে অনৈতিকভাবে আর্থিক বিনিময়ে প্রার্থী দিয়ে থাকে, তাই উপযুক্ত ও শিক্ষিত লোকের অভাবে অশিক্ষিত, লোভী, সন্ত্রাসী, দু-চরিত্র, লোকদের প্রার্থী হিসাবে স্থান পায়। আবার এই অযোগ্যদের মধ্যে অনেকেই শুধু মাত্র দলীয় প্রতিকের কারনে সংসদ নির্বাচিত হয়ে সবধরনের অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে দুই একজন ব্যতিত সবাই। ৭১ এর পর থেকে ৫৪ বছর এমন চিত্রই দেখা গেছে। কখনো সুবিধাভোগীদের হাতে আবার কখনো ব্যবসায়ীদের ব্যবসার হাতিয়ার হিসাবে। আমরা কখনো আমাদের এই এশিয়ান ভোল্টের উন্নত ছোট ছোট দেশ মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের দিকে একটু খেয়াল করে নিজেদের অবস্থান চিন্তা করি না।
**৩য়ঃ 
আমাদের দেশের প্রথাগত নির্বচনে প্রথমদিকের জনপ্রিয় অধিকংশ দল প্রার্থী ঘোষণা করে এমন লোকজনদেরকে যারা নির্বাচনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে অর্থ্যাৎ শত শত কোটি টাকা খরচ করে জয় নিশ্চিত করতে পারবে। প্রথাগত নিয়মে না থেকে পরক্ষভাবে নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী দেশের সংসদ প্রার্থীদের অনেকেই না কি ১০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা খরচ করেন এমপি হওয়ার জন্য। কারন, দলীয় উচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারকদেরও অনৈতিকতার নিকট এটা একটা লাভজনক ব্যবসায় পরিনত হয়েছে। যে জন্য আমাদের রাজনীতি জনসেবা এবং রাষ্ট্র উন্নয়নের না হয়ে একটা লাভজনক ব্যবসায় পরিনত হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে গত সংসদ নির্বাচনেও ৩০০ নির্বাচিত সাংসদের মধ্যে ১৯৮ জন ছিলেন ব্যবসায়ী (প্রতি সংসদ নির্বাচনের পর বড়বড় ব্যবসায়ীরা এই দলে যুক্ত ছিলেন ও হচ্ছেন)। সেই সাথে বটতলার উকিল, খেলোয়াড়, গায়ক-গায়িকা ও নায়ক-নায়িকা মিলে ৫৩ জন তাদেরও নিজস্ব প্রফেশন বাদ দিয়ে এমপি হওয়ার খায়েস পুরন করেছেন। যে কারনে চরিত্রহীন গায়িকা মমতাজ এবং বাংলায় সাধারন লিখা না পড়তে পারা কাজের বুয়াকে পর্যন্ত সংসদে স্থান করে দিয়েছে। বাকিদের মধ্যে গুটিকয়েক খন্ডকালিন রাজনীতির সাথে জড়িত। এতে দেখা যাচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরে কিছু কিছু দল দলীয় প্রার্থী নির্বাচনের সময় দলের তহবিলে কত টাকা চাঁদা বা অনুদান দিবে এবং নির্বাচনে কত টাকা খরচ করে সর্বোপরি আসনটি আয়ত্তে আনতে পারবে তার উপর ভিত্তি করে প্রার্থীতা অনুমোদন করে থাকে। ফলে এসব দলীয় সংসদের নিকট হতে রাষ্ট্রীয় নীতি বা কোন আদর্শ উন্নয়ন কিছুই পাওয়া যায় নাই লুটপাট আর অর্থ পাচার ব্যতিত।
** ৪র্থঃ  
বর্তমান প্রথাগত নিয়মে নির্বাচনে দলীয় সংসদ উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের পদগুলোতে যাতে উক্ত দলের ভিতরে তারই পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে আসতে পারে তার সর্বধরনের চেষ্টা করবে যাতে তিন নেতা মিলে কাজ না করে সকল ধরনের উন্নয়নের অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা করে ভোগ করতে পারে এবং দলীয় প্রভাবের কারণে লোকাল প্রশাসনও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে না, গত ৫৪ বছরের চিত্র তাই প্রতিফলিত। কিন্তু পিআর পদ্ধতির নির্বাচন হলে ভোটারেরা গোপনে সঠিক ও সৎ প্রার্থীকে বেছে নেয়ার মাধ্যমে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ভোটারগন দলীয় প্রতীকবিহীনভাবে যোগ্য প্রার্থীযাচাই করে নিতে পারবে। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই স্থানীয় উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড পরিচালিত হয় স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দ্বারা, আর সংসদেরা রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রয়োজনীয় আইন ও নীতিমালা নির্ধারনের মূল ভূমিকা পালন করেন। সেখানে উন্নয়ন খাতের বরাদ্দ টাকা ভাগ-বাটোয়ারার সুযোগ তেমন একটা থাকে না।
** ৫মঃ
 পিআর পদ্ধতিতে ভোটাররা কাকে দেখে ভোট দিবে বা কি দেখে ভোট দেবে? পিআর পদ্ধতির মুল বিষয় হলো, বাংলাদেশের সকল নিবনন্ধিত দলেরই আলাদা আলাদা মার্কা আছে, ভোটাররাও ঐসব মার্কা দেখেই ভোট দেয়, যার কারনে প্রত্যেকটা সংসদীয় সীমানা অনুযায়ী বড়বড় দলগুলি নিজস্ব আদলে দলীয় যেসব প্রার্থী নির্ধারন করে, এসব প্রার্থীদের বেশির ভাগই অর্থের বিনিময়ে দলীয় নমিনেশন নিয়ে ক্যাডার বাহীনি দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বা ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র দখলের মধ্যদিয়ে জয় পেতে চায়। আর এতেকরে ক্যাডার বাহীনি অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব প্রার্থীদের জিতিয়ে দেয়ার মাধ্যমে উদ্দেশ্যমুলকভাবে পরবর্তী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দূর্নীতি-লুটপাট, চাঁদাবাজি করা ও দখলদারি চামচামির মাধ্যমে বিনা পরিশ্রমে নিজের ভাগ্য পাল্টানোর কাজে তাকে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচিত হলে প্রার্থীর পদ হারানোসহ জবাব দিহিতার ব্যবস্থা থাকে বিধায় গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু থাকে।
** ৬ষ্ঠঃ 
 পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনে জনস্বচেতনতার কারনে ভোটারগন দলীয় যথপোযুক্ত প্রার্থী না পেলে অন্য দলের উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচিত করে নিতে পারবে। যে কারনে দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে দলের নীতি নির্ধারকগন উপযুক্ত প্রার্থী যাচাই-বাচাই করে ঠিক করবে। দল যদি অর্থের বিনিময়ে অনুপযুক্ত প্রার্থীকে নমিনেশন দেয় সেক্ষেত্রে ভোটারেরাই উপযুক্ত প্রার্থীকে ভোট দিবে সে যে কোনো দলের হোক না কেন জনপ্রতিনিধি জনস্বাথে কাজ করতে বাধ্য হবেন।
** ৭মঃ  
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে যে দলগুলোর মোটামুটি কিছুটা হলেও জন সমর্থন আছে তাঁদের প্রার্থীদের মধ্যে পিআর পদ্ধতির নির্বাচনে যে কয়টি আসন পাবে সে কয়জন উপযুক্ত সংসদকে সাংসদে পাঠাবে। যেমন ধরা যাক কোনো দলের ১০০ জন প্রার্থী রয়েছে অথচ সংখ্যানুপাতে মাত্র ১০ টি আসন পেয়েছে সে ক্ষেত্রে ঐদল ১০০ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে ধারাবাহিকভাবে উপযুক্ত ১০ জনকে সংসদে পাঠাবে। এই পদ্ধতিতে সংসদ সদস্যদের দূর্নীতিমুক্ত উন্নত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা তৈরি, সকলপ্রকার আইনি অবকাঠামো তৈয়ার ও বাস্তবায়ন করা সহজ হয়।
** ৮মঃ
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা চালু হলে বিভিন্ন দল ক্ষমতায় যাওয়ার পুর্বেই রাষ্ট্রের সার্ভিক উন্নয়নে কি কি ধরনের উন্নয়ন পদক্ষেপ নিবে তা নির্বাচনের বেশকমাস আগেই লিখিত আকারে ভোটারদের মাঝে প্রচার-প্রচারনা চালাবে। তাতে করে দলের নীতিমালা ভোটারদের পছন্দ অপছন্দের দিকে অর্থ্যাৎ সাধারন পাবলিক সেন্টিমেন্টের দিকে নজর রেখে দলীয় মার্কায় ভোট দিয়ে প্রার্থী জয়যুক্ত করাতে চেষ্টা করবে। অপরদিকে ইউনিয়ন, জেলা-উপজেলার চেয়ারম্যানগন নির্দলীয় প্রার্থী হওয়ায় সাধারণ ভোটারেরা যোগ্যতা দেখে পছন্দের ব্যক্তিকে নির্বাচিত করার সুযোগ পাবে। এই আইনি কাঠামোতে দেশের সর্বধরনে উন্নয়নে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ দলীয় সাংসদদের নিয়ন্ত্রণ মুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে নিজস্ব এলাকার উন্নয়ন এবং পরবর্তীতে পুনঃনির্বাচিত হওয়ার আশায় কাজ করবে।
** ৯মঃ 
পিআর পদ্ধতিতে নির্বান ব্যবস্থা চালু হলে সমাজে বিভাজন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কেহকেহ মনে করলেও এর সম্ভাবনা একেবারে না থাকাটাই স্বাভাবিক। অর্থ্যাৎ পিআর পদ্ধতিতে বিভাজন থাকবে না। বর্তমান পদ্দতিতে একই আসনে ১০/১২ দলের ১০/১২ জন বা তারও বেশি প্রার্থী প্রতিযোগীতা করায় এক প্রার্থী অপর প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানান অপপ্রচার ও কুৎশা রটাতে থাকে, এতে করে প্রার্থীদের মধ্যে থেকে শুরুকরে এলাকার সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বিভাজন এবং সহিংসতা তৈরি হয়, যার কারনে এলাকায় সাধারন জনগন নিজস্ব প্রার্থীর পক্ষে বিভিন্ন দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
** ১০মঃ
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা চালু হলে যে সংসদিয় আসনে যত বেশি প্রার্থী হোক না কেন এতে সমাজে কোন সহিংসতা বা বিভাজন থাকবে না, সকল ভোটারের প্রদানকৃত ভোটের কার্যকরি মূল্যায়ন হবে।


This News Visited : 445 Times





Logo


সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবু হানিফ,
প্রকাশকঃ রাবেয়া খাতুন
নির্বাহী সম্পাদক ডক্টর মোঃ মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান (নজরুল)
কর্পোরেট অফিসঃ ৫১,৫১/এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (লিফটের-৬)পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগঃ ০১৯১১১০৭০২৬

© Copyright, Voice of Dhaka
Developed BY Tiger Infotech