নিজেস্ব প্রতিবেদক
বরিশাল-৩ মুলাদী বাবুগঞ্জ আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশি মিজানুর রহমান। মানুষের ঘরের দরজা থেকে হৃদয়ের দরজা পর্যন্ত নাড়া দিয়েছে নৌকার এই প্রার্থী ৷ দীর্ঘ বছর নৌকা না পাওয়া জনপদের মানুষ মিজানুর রহমানের মাধ্যমে এ নির্বাচনে নৌকার আশা করেন ।
মিজানুর রহমান বলেন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে উন্নয়নের রোল মডেল পরিনত হয়েছি৷ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আজ স্মার্ট বাংলাদেশ যে মিশন নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছেন তার এই অগ্রযাত্রার একজন কর্মী হিসেবে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) জনতাকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে নেত্রী যদি নৌকা প্রতিক উপহার দেন। আমি নেত্রীকে নৌকার বিজয় উপহার দিব ইনশাল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, মানুষের কাছে গিয়েছি মানুষের জোয়ার দেখেছি, দেখেছি নৌকা না পাওয়ার আক্ষেপ। জোটের প্রার্থী আর চায়না বরিশাল -৩ আসনের সাধারন মানুষ। দেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশ। বিশ্বের দরবার আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। কিন্তু সে উন্নয়নের ছোয়া পায়নি এ জনপদের মানুষ ৷
তাই নৌকা চায় তারা। নৌকার বিজয়ের জন্য তারা মরিয়া হয়ে আছে।
বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা আক্ষেপ নিয়ে বলেন "হয়তো আগামী নির্বাচন পর্যন্ত বাঁচবো না,তাই নির্বাচনে শেষবারের মতো হলেও নৌকায় ভোট দিয়ে মরতে চাই"। "দুঃসময়ে রাজপথে ছিলাম নৌকার কর্মী হিসেবে। মানুষের খাদেম হতে চাই নৌকার প্রার্থী হিসেবে" ।
কে এই মিজানুর রহমান?
ফিরে তাকানো যাক সেই নব্বইয়ের দশকে..!
বিএনপি জামায়েত জোট সরকারের আমলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছিলো নিপিড়ীত, নিগৃহীত। ঠিক এই সময়ে মিজানুর রহমান জয় বাংলার স্লোগান নিয়ে ঢাকার রাজপথে, অলিতে গলিতে মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছেন । নেতৃত্ব দিয়েছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে।
ছাত্রলীগ পরবর্তী যুবলীগে রয়েছে মিজানুর রহমানের বরেন্য ইতিহাস। জাহাঙ্গির কবির নানক ও মির্জা আজমের মত পরিক্ষিত নেতাদের দক্ষ সহযোদ্ধা হিসেবে সংকটে, সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রতিটি রাজপথের আন্দোলনে।
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, জোট সরকারের নির্যাতন, নিপিড়ন, ১/১১ মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক মামলা, শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলন সহ দেশ এবং দলের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মিজানুর রহমান রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
রাজপথে প্রতিটি সংগ্রাম পেরিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার গঠন করে। মিজানুর রহমান তখন থেকেই ছুটে বেড়াচ্ছেন মুলাদী-বাবুগঞ্জের মানুষের দ্বারে দ্বারে, করে যাচ্ছেন জনসেবা, গেয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জয়গান।
এ যেন মানুষের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শিক একজন দক্ষ যোদ্ধা এবং জনসেবক ।
১. করোনা কালীন সময়ে মুলাদী উপজেলায় ফ্রি অক্সিজেন সিলিন্ডার সেবা প্রদান।
২. মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা এবং অর্থিক প্রণোদনা ।
৩. করোনা কালীন মুলাদী উপজেলায় ত্রাণ বিতরন।
৪. বরিশাল জেলা প্রশাসক এর তহবিলে সেলাই মেশিন প্রদান।
৫. মাদক বিরোধী র্যালী।
৬. বৃক্ষ রোপণ এবং বিনামূল্যে বিতরণ।
৭. দরিদ্র এবং মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান।
৮. দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ।
৯.দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ।
১০. অসহায় দরিদ্রদের আর্থিক সাহায্য প্রদান।
১১ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্হদের আর্থিক সাহায্য প্রদান।
১২. জেলেদের আর্থিক সাহায্য প্রদান।
১৩. মসজিদ নির্মানে আর্থিক সাহায্য প্রদান।
১৪. এতিমখানার ভবন নির্মাণে আর্থিক সাহায্য প্রদান।
১৫. মন্দির নির্মানে আর্থিক সাহায্য প্রদান।
১৬. মেডিকেল টিম গঠনের মাধ্যমে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দান।
১৭. গুনিজন সংবর্ধনা।
১৮. মুলাদীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা।
১৯. অসহায় দরিদ্রদের চিকিৎসা সেবা এবং অসংখ্য মানুষের অপারেশন সেবা নিশ্চিত করণ।
২০. কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় টিম গঠন এবং বর্জ্য অপসারণে ব্যাগ বিতরণ।
এমন হাজারো কাজে নিয়োজিত রেখে একজন মানবিক নেতা হিসেবে মুলাদী বাবুগঞ্জ মানুষের কাছে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেেন। নিজ উদ্যগে তিনি এই জনপদের অবহেলিত মানুষের জন্য যাকিছু করেছেন, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে এই জনপদের মাটি ও মানুষের অভাবনীয় উন্নয়ন সাধিত হবে এই প্রত্যাশা সকল শ্রেণির জনসাধারণের মাঝে।
জনতার শ্লোগন
"মিজান নৌকার লোক
নৌকা এবার তারই হোক"
শেষ জীবনে নৌকায় ভোট দেয়ার ইচ্ছা পুরনের স্বপ্ন দেখে অবহেলিত জনপদের মুক্তিযোদ্ধারা।