1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test test : test test
শিরোনাম :
ইস্টার্ন প্লাজার ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগ    মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে উত্তাপ ।    খাবার, আড্ডা আর উদযাপন — সব এক ছাদে, উত্তরায় খুললো ওয়াটার পার্ক    ৪৯তম বিসিএসের গেজেট: যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ শিবিরের    আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পাবনায় সমকালের জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব    ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: দেলাওয়ারকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতির নির্দেশ    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের মতবিনিময়    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা জজ শরীফ মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল    অভিযোগের পাহাড়, তবুও বেপরোয়া কাজল রেখা    বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজের বদলিতে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় স্বস্তি   

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    
বিদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণে সীমা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সম্পত্তির দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের জেরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলীয় সরকার। মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষামন্ত্রী জেসন ক্লেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৫ সালে সরকারিভাবে অর্থায়ন করা বিশ্ববিদ্যালয় ও বৃত্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৭০ হাজারে সীমাবদ্ধ থাকবে। একটি ‘ভালো ও ন্যায্য ব্যবস্থা’ তৈরি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এক সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলীয় মন্ত্রী বলেছেন, এই পদক্ষেপের অর্থ হলো, আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় একই সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী কোর্স শুরু করবেন, যা মহামারির আগে ছিল। ক্লেয়ার জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অস্ট্রেলীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা কোভিড-১৯ মহামারির আগের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি ছিল। আর বেসরকারি বৃত্তিমূলক এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে এর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা ফিরে এসেছে। তেমনি অসাধুরাও ফিরেছে, যারা দ্রুত অর্থ উপার্জনের জন্য এই শিল্পকে কাজে লাগাতে চাইছে।গত ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাত লাখ ছাড়ায়। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের নতুন এই পদক্ষেপ সামগ্রিক অভিবাসনের রাশ টেনে ধরতে সাহায্য করবে বলে দাবি করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশিদের অভিবাসন সর্বকালের সর্বোচ্চ ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ জনে পৌঁছেছিল, যা তার আগের বছরের তুলনায় ৬০ শতাংশ বেশি। বিপুল সংখ্যক বিদেশিদের আগমনে দেশটিতে বাড়ির দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়। মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় সম্পত্তির দাম ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মনে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, দেশটির ৬৯ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, অতিরিক্ত অভিবাসনই বাড়ির দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অস্ট্রেলিয়ায় নানা বিষয়ে পড়ার সুযোগ আছে, আছে নানা ধরনের বৃত্তি। তাই অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাচ্ছেন বাংলাদেশের বহু শিক্ষার্থী। সেখানে পড়ালেখার সুযোগ বা চ্যালেঞ্জগুলো কী? অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চ শিক্ষা গ্রহনে সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ১০ প্রশ্নের উত্তর মিলবে এখানে।  উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েই অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকের জন্য আবেদন করা যায়। অস্ট্রেলিয়ার সব বিশ্ববিদ্যালয়েই স্নাতকের সুযোগ আছে, তবে সব বিষয়ে পড়ার সুযোগ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ভর্তির সব তথ্য পাওয়া যাবে। উচ্চমাধ্যমিকে ৬৫ শতাংশ নম্বর, আইইএলটিএস স্কোর অন্তত ৬ দশমিক ৫ নিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রির জন্য আবেদন করতে পারছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে বৃত্তির নানা সুযোগ আছে। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ে কীটতত্ত্বে পিএইচডি করছেন শোভন সরকার। তিনি বলেন, মাস্টার্স ও পিএইচডিতে বৃত্তির সুযোগ আছে অনেক। স্নাতক ও মাস্টার্সের ক্ষেত্রে টিউশন ফির ওপর ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃত্তি পাওয়া যায়। ভর্তি ও বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোর ও প্রাতিষ্ঠানিক ফল বিশেষ গুরুত্ব পায়। স্নাতকোত্তর পড়ার জন্য প্রতিবছর অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস দেয় সে দেশের সরকার। এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থী আসা-যাওয়ার বিমানভাড়া, পড়াশোনার যাবতীয় খরচ, থাকা-খাওয়ার খরচসহ গবেষণা এবং বইপত্রের জন্য অর্থ পান। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আংশিক তহবিল দেয়। বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপসহ বিভিন্ন সরকারি বৃত্তির মাধ্যমেও পড়ার সুযোগ আছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় উচ্চতর শিক্ষায় ফেলোশিপ দেওয়ার জন্য আবেদন আহ্বান করে। বিস্তারিত: pmfellowship.pmo.gov.bd
এআর/ভিওডি 


This News Visited : 64 Times





Logo


সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবু হানিফ,
প্রকাশকঃ রাবেয়া খাতুন
নির্বাহী সম্পাদক ডক্টর মোঃ মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান (নজরুল)
কর্পোরেট অফিসঃ ৫১,৫১/এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (লিফটের-৬)পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগঃ ০১৯১১১০৭০২৬

© Copyright, Voice of Dhaka
Developed BY Tiger Infotech