1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test test : test test
শিরোনাম :
ইস্টার্ন প্লাজার ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগ    মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে উত্তাপ ।    খাবার, আড্ডা আর উদযাপন — সব এক ছাদে, উত্তরায় খুললো ওয়াটার পার্ক    ৪৯তম বিসিএসের গেজেট: যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ শিবিরের    আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পাবনায় সমকালের জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব    ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: দেলাওয়ারকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতির নির্দেশ    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের মতবিনিময়    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা জজ শরীফ মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল    অভিযোগের পাহাড়, তবুও বেপরোয়া কাজল রেখা    বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজের বদলিতে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় স্বস্তি   

নিজস্ব প্রতিবেদক,

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল নেয়, এমন দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের যুক্তরাষ্ট্রের বিল ভারতের জন্য নতুন টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। 
ধারণা করা হচ্ছে, এই বিল পাস হলে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র চাপ তৈরি করার সুযোগ পাবে, যাতে তারা রাশিয়া থেকে সস্তা তেল কেনা বন্ধ করে। বিলটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যদিও ভোটাভুটি এখনো হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক দাবি করেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন না করায় এটি চূড়ান্ত করা যায়নি।

ট্রাম্প বলছেন, তাকে শুধু একটি জিনিসই থামাতে পারে, যেটি তার ‘নিজস্ব নীতি’, ও ‘নিজস্ব মন’। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ধারাবাহিক সিদ্ধান্তের পর ভারতে প্রশ্ন উঠছে, তার কি আদৌ কোনো সীমা আছে? বিলটি পাস হয়ে গেলে ভারতের উপর কী প্রভাব হবে?

ভারতের ওপর প্রভাব

গত বছরের আগস্ট মাসে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশি শুল্ক চাপানোর হুমকি দিয়েছিলেন, তখন দিল্লির দিক থেকে পাল্টা জবাব দেয়া হয়েছিল। রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ভারতকে যে নিশানা করছে, অথচ তারা নিজেরাই তো রাশিয়ার সাথে বাণিজ্য চালাচ্ছে বলে উল্লেখ করেছিল দিল্লি।

এটি স্পষ্ট যে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়া থেকে বড় পরিমাণে তেল আমদানি করে আসছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের পর বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়েছে। তবে ভারতকে হয় সেটা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে, অথবা ৫০০ শতাংশ শুল্কের মুখোমুখি হতে হবে।

ভারতের গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব বলেন, এমন হলে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রফতানি কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে ভারত ৮৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের রফতানি ঝুঁকির মুখে পড়বে।

অজয় শ্রীবাস্তব বলছেন, ‘এখন পর্যন্ত ট্রাম্প নিজের ক্ষমতায় ভারতের বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ করেছেন। কিন্তু এই বিলটি কংগ্রেসে পাস হতে হবে। আমার মনে হয় না এই বিল পাস হবে। তবে ভারতের উচিত নিজের নীতি পরিষ্কার করা।’

‘ভারত যদি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়া থেকে তেল কিনতে চায়, তাহলে তা খোলাখুলি বলা উচিত। আর যদি না কিনতে চায়, সেটাও বলা উচিত। রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমানোর পাশাপাশি মার্কিন শুল্কের ক্ষতি সহ্য করা অসম্ভব।’

ভারতের অপরিশোধিত তেলের বৃহত্তম ক্রেতা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বলেছিল, তারা জানুয়ারি মাসে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল সরবরাহের প্রত্যাশা করছে না।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, এটি এই মাসে ভারতের রাশিয়ান তেল আমদানিকে বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পারে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানাচ্ছে, গত জুন মাস থেকে প্রতিদিন দুই দশমিক এক মিলিয়ন ব্যারেল তেল আমদানির সর্বোচ্চ স্তর থেকে ডিসেম্বরে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি ৪০ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে ২০২৪ সালে ভারত যুক্তরাষ্ট্রে ৮৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি করেছিল, যা দেশের মোট রফতানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের তৃতীয় বৃহত্তম ক্রেতা ভারত। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সমুদ্রবাহিত রাশিয়ার তেলের বৃহত্তম ক্রেতা হয়ে দাঁড়ায় ভারত। কম দামে তেল কিনে ভারত যেভাবে লাভবান হচ্ছিল, সেখানে রাশিয়ার তেলের আমদানি কমতে থাকা ভারতের জন্য এবং বিশ্ববাজারেও বাড়তি চাপের কারণ হতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট কি কোথাও গিয়ে থামবেন?

দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়, তার বৈশ্বিক ক্ষমতার কি কোনো সীমা আছে? এর জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, একটি জিনিস আছে, আমার নিজের নৈতিকতা। আমার নিজের মন। সেটাই একমাত্র জিনিস, যা আমাকে থামাতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার আন্তর্জাতিক আইনের দরকার নেই। আমি মানুষকে ক্ষতি করার চেষ্টা করছি না।’

তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের কি আন্তর্জাতিক আইন মানা উচিত? উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি মানি। কিন্তু সিদ্ধান্ত আমি নেব। এটা নির্ভর করে আন্তর্জাতিক আইনের আপনার সংজ্ঞা কী, তার ওপর।’

চীন-ভারত রাজনীতি

ভারতের ইংরেজি সংবাদপত্র দ্য ইকোনমিক টাইমস তাদের একটি প্রতিবেদনে দাবি করেছে, এই বিলটি মূলত ভারতকেই নিশানা করছে, যেখানে চীন অনেকাংশে নিরাপদ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সেখানে লেখা হয়েছে, রাশিয়ান তেল নিয়ে এখন পর্যন্ত কেবল ভারতের ওপরই ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, আর চীনের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ অজয় শ্রীবাস্তব পত্রিকাটিকে বলেন, ‘এই বিলটি যদি সিনেটে পাসও হয়ে যায়, যার সম্ভাবনা কম, বাস্তবে এর লক্ষ্য হবে শুধু ভারত। চীন এর আওতার বাইরে থেকেই যাবে।’

অন্যদিকে সরকারি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয় চীনা কোম্পানিগুলোর জন্য সরকারি টেন্ডারে দরপত্র দেয়ার ওপর থাকা পাঁচ বছরের পুরোনো নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পরিকল্পনা করছে।

২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় দু’দেশের সেনাদের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। এই নিয়ম অনুযায়ী, চীনা কোম্পানিগুলোকে দরপত্র দেয়ার আগে ভারতের একটি সরকারি কমিটিতে নিবন্ধন করতে হতো এবং রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা অনুমোদন নিতে হতো।

এনিয়ে অভিযোগ তুলেছে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসও। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘আমি দেশকে ঝুঁকতে দেবো না।’- কিন্তু আজ যা হচ্ছে, তা এর ঠিক উল্টা।

তিনি লেখেন, ‘পাঁচ বছর ধরে চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা তুলে নেয়া হচ্ছে। গালওয়ানে ভারতীয় বীর সেনারা যে আত্মত্যাগ করেছেন, মোদিজি চীনকে ক্লিনচিট দিয়ে গালওয়ান উপত্যকায় সাহসী ভারতীয় সৈন্যদের আত্মত্যাগের অপমান করেছেন।’

চাপের কৌশল ও ভূ-রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বাড়ানোর বিল আনার পাশাপাশি দেশটি নিজেকে ভারত-নেতৃত্বাধীন ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স বা আইএসএসহ প্রায় এক ডজন আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

ভারত ও ফ্রান্স যৌথভাবে এই সংস্থাটি গঠন করেছিল। এর সদস্য দেশ ৯০টিরও বেশি এবং সদর দফতর নয়াদিল্লিতে। আইএসএ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে ভারত সরকার এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

এছাড়া এই ঘোষণা এমন সময় এসেছে, যখন এই সপ্তাহে ভারতের জন্য মনোনীত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর দিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। তিনি ১২ জানুয়ারি থেকে ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিশেষ দূতের দায়িত্ব নেবেন।

দ্য হিন্দু পত্রিকার আন্তর্জাতিক সম্পাদক স্ট্যানলি জনি এক্সে লিখেছেন, ‘দেশগুলো শুধু শক্তির ভারসাম্য রক্ষার জন্যই জোট গড়ে না, বরং যে হুমকি তারা দেখতে পায়, তার ভিত্তিতেও জোট গড়ে। যদি যুক্তরাষ্ট্র লাগামহীন মহাশক্তির মতো আচরণ করতে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ভারসাম্য তৈরির জোট গড়ে উঠবে।’

ভারতের বৈদেশিক নীতি বিষয়ক একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক অনন্ত সেন্টারের সিইও ইন্দ্রাণী বাগচী এই বিল ও যুক্তরাষ্ট্রে কৌশল সম্পর্কে সামাজিক মাধ্যম এক্সে একটি দীর্ঘ পোস্ট লিখেছেন।

তিনি উল্লেখ করছেন, ট্রাম্পের এই বিল সামনে নিয়ে আসার পেছনে ইউক্রেন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের হিসাব-নিকাশ কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউ রাশিয়ার কাছে তাদের চূড়ান্ত প্রস্তাব উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ইন্দ্রাণী বাগচী লিখেছেন, এমন অবস্থায় ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি ভারত, চীন ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তাহলে বিনিময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেন সম্পর্কিত এমন একটি চুক্তিতে সম্মত হতে পারে, যেখানে কিয়েভকে মস্কোর পক্ষে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হবে।’

তার মতে, শুল্কের বিল পাস হলেও এতে প্রেসিডেন্টের ছাড় দেয়ার সুযোগ থাকায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিছু বিশেষ ছাড় পেতে পারে। ফলে ‘ইউরোপ বাধা ছাড়াই রুশ জ্বালানি কিনতে থাকবে। যুক্তরাষ্ট এখনো রাশিয়া থেকে পরিশোধিত ইউরেনিয়াম কেনে। এটাও স্পষ্ট নয় যে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান আইন অনুযায়ী ২০২৮ সাল পর্যন্ত নিজেকে ছাড় দিয়ে যাবে কি না।’

বিশ্বব্যাপী তেলের বাজার স্থিতিশীল থাকায় এই ৫০০ শতাংশ শুল্ক বা তেল কেনাবেচা বন্ধ হলেও এতে ভারত বা রাশিয়া খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলে মনে করেন তিনি।

গত এক বছরে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এই সম্পর্ক আগামী কিছু সময়ের জন্য আইসিইউ’তে থাকবে বলে মনে করছেন তিনি।

অপর দিকে গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ-এর একটি প্রতিবেদন বলছে, ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ হলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের আমদানিও বন্ধ হয়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের বার্ষিক আমদানি বর্তমানে ১২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

ভারতের সাবেক বাণিজ্য সচিব অজয় দুয়া আরটি ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘৫০০ শতাংশ শুল্ক বাধা দেয়ার একটি উপায় ছাড়া আর কিছুই নয়, এটি বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের মতো।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা বর্তমানে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিচ্ছি, যদি আমরা ৫০০ শতাংশ শুল্ক দেই, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের কেউ ভারত থেকে আমদানি করা পণ্য কিনতে পারবে না। আমাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিকল্প বাজার খুঁজে বের করতে হবে।


This News Visited : 80 Times





Logo


সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবু হানিফ,
প্রকাশকঃ রাবেয়া খাতুন
নির্বাহী সম্পাদক ডক্টর মোঃ মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান (নজরুল)
কর্পোরেট অফিসঃ ৫১,৫১/এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (লিফটের-৬)পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগঃ ০১৯১১১০৭০২৬

© Copyright, Voice of Dhaka
Developed BY Tiger Infotech