1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test test : test test
শিরোনাম :
ইস্টার্ন প্লাজার ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগ    মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে উত্তাপ ।    খাবার, আড্ডা আর উদযাপন — সব এক ছাদে, উত্তরায় খুললো ওয়াটার পার্ক    ৪৯তম বিসিএসের গেজেট: যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ শিবিরের    আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পাবনায় সমকালের জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব    ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: দেলাওয়ারকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতির নির্দেশ    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের মতবিনিময়    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা জজ শরীফ মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল    অভিযোগের পাহাড়, তবুও বেপরোয়া কাজল রেখা    বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজের বদলিতে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় স্বস্তি   

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ২০১৭ সালের মতো আবারও সহিংসতা চালানো হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর নতুন করে সহিংসতার ঘটনা তুলে ধরে গতকাল মঙ্গলবার প্রভাবশালী দুই থিংক ট্যাংক এই উদ্বেগের কথা জানিয়েছে। ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।  পর্যবেক্ষকগোষ্ঠী ফরটিফাই রাইটস জানায়, তারা প্রত্যক্ষদর্শীদের যেসব সাক্ষাৎকার নিয়েছে, তাতে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে আরাকান আর্মি চলতি মাসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ড্রোন ও মর্টার হামলা করেছে। বোমা হামলায় বাংলাদেশের সীমান্তে কাছে শতাধিক রোহিঙ্গা পুরুষ, নারী ও শিশু নিহত হয়েছে। গ্রুপটি বলেছে, বড় ধরনের এই হামলার আগে আরাকান আর্মি প্রথম ওই এলাকায় একটি নজরদারি ড্রোন পাঠায়। এতে স্পষ্ট যে, আরাকান আর্মি ইচ্ছাকৃতভাবে জনসমাগমের স্থানে হামলা চালিয়েছিল।  তবে আরাকান আর্মি গত ৭ আগস্ট এক বিবৃতিতে এই হামলার দায় অস্বীকার করে। এর ১০ দিন পরে রাজনৈতিক শাখার মাধ্যমে আবার একই দাবি করে।  থিংক ট্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ বলছে, অনেক রোহিঙ্গা তাদের ওপর হামলা ও সহিংসতায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর চালানো সহিংসতায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা দেশটি থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। পরে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াইয়ের মধ্যেও রাখাইনে এখনো প্রায় ৬ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে।  জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস বলেছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মি—উভয়ের বিরুদ্ধেই রোহিঙ্গাদের গুরুতর নির্যাতনের তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিচারবহির্ভূত হত্যা, অপহরণ, জোরপূর্বক নিয়োগ, গ্রামে নির্বিচারে বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগ। 
জাতিসংঘের অধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, অতীতের অপরাধ ও ভয়াবহতার পুনরাবৃত্তি অবশ্যই রুখে দিতে হবে।


This News Visited : 64 Times





Logo


সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবু হানিফ,
প্রকাশকঃ রাবেয়া খাতুন
নির্বাহী সম্পাদক ডক্টর মোঃ মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান (নজরুল)
কর্পোরেট অফিসঃ ৫১,৫১/এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (লিফটের-৬)পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগঃ ০১৯১১১০৭০২৬

© Copyright, Voice of Dhaka
Developed BY Tiger Infotech