1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test test : test test
শিরোনাম :
ইস্টার্ন প্লাজার ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগ    মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে উত্তাপ ।    খাবার, আড্ডা আর উদযাপন — সব এক ছাদে, উত্তরায় খুললো ওয়াটার পার্ক    ৪৯তম বিসিএসের গেজেট: যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ শিবিরের    আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পাবনায় সমকালের জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব    ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: দেলাওয়ারকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতির নির্দেশ    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের মতবিনিময়    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা জজ শরীফ মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল    অভিযোগের পাহাড়, তবুও বেপরোয়া কাজল রেখা    বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজের বদলিতে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় স্বস্তি   


নিজস্ব প্রতিবেদক
নগর ভবনে উন্নয়নকাজের বেচাবিক্রি গত চার বছরে ছিল অনেকটাই ‘ওপেন সিক্রেট’। ওই সময়ে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মী ও দক্ষিণ সিটির মেয়রের ঘনিষ্ঠজনেরা সংস্থার উন্নয়নকাজ ও বিভিন্ন কেনাকাটার সিংহভাগ কাজ করেছেন। কারসাজি করে কোনো রকমের প্রতিযোগিতা ছাড়াই তাঁরা বাগিয়ে নিয়েছেন এসব কাজ, অঙ্কের হিসাবে যা প্রায় ৫৪০ কোটি টাকা।  

এভাবে পছন্দের লোক ও ক্ষেত্রবিশেষে অযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে কাজ করানোর ফলে অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ হয়নি। এতে মাসের পর মাস জনগণকে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। আবার গুণগত মান নিশ্চিত করে কাজ করতেও ঠিকাদারকে চাপ প্রয়োগ করা যায়নি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকৌশল বিভাগের অন্তত সাতজন কর্মকর্তা প্রথম আলোর কাছে এভাবে কাজ দেওয়া ও বাস্তবায়ন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে চাকরি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে—এ বিবেচনায় নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি তাঁরা।অনুসন্ধানে জানা গেছে, কে কোন কাজ পাবেন, তা আগেই ঠিক করা হতো। সে অনুযায়ী দরপত্র প্রকাশ করার পর নির্দিষ্ট ব্যক্তিই কাজ পেতেন। এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩৭৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্তৃপক্ষ। এর বাইরে আরও ১৬৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার কাজ বাস্তবায়ন করেছে সংস্থাটি।

বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়নে যেসব কাজ করা হয়েছে, সেসবের দরপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১৭৪টি কাজে কোনো প্রতিযোগিতা হয়নি। এর অর্থ, যখন দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল, তখন প্রতিটি কাজের বিপরীতে একটি করেই দরপত্র জমা হয়েছে। এভাবে সংস্থাটি ২০৪ কোটি ৭০ লাখ টাকার কাজ বাস্তবায়ন করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি কাজে একটিমাত্র দরপত্র পড়ার প্রবণতা কমায় অন্তত দুটি করে দরপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেয় কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় ১২২টি কাজের বিপরীতে দুজন করে ঠিকাদার দরপত্র জমা দিয়েছেন। তবে কে কাজ পাবেন, তা আগে ঠিক করা ছিল। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অপর ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঠিক করে দরপত্র জমা দিয়েছেন। এ প্রক্রিয়ায় ১৭৬ কোটি ১৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

এর বাইরে আরও ১৬৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার আরও ১৩২টি কাজ দলীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে ‘বিতরণ’ করেছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত পরিচালক ও দক্ষিণ সিটির প্রকৌশল বিভাগের ঊর্ধ্বতন চার কর্মকর্তা  বলেন, নেতা–কর্মীদের মধ্যে কাজ ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে ডেকে নিয়ে কাকে কোন কাজ দিতে হবে, সে নির্দেশনা দেওয়া হতো। অবশ্য নেতা–কর্মীরা বাস্তবায়নের শর্ত পূরণ করতে না পারলে উন্মুক্ত করে দেওয়া হতো কিছু কাজ। পরে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ঠিকাদারেরা এসব কাজ পেতেন।


This News Visited : 162 Times





Logo


সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবু হানিফ,
প্রকাশকঃ রাবেয়া খাতুন
নির্বাহী সম্পাদক ডক্টর মোঃ মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান (নজরুল)
কর্পোরেট অফিসঃ ৫১,৫১/এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (লিফটের-৬)পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগঃ ০১৯১১১০৭০২৬

© Copyright, Voice of Dhaka
Developed BY Tiger Infotech