1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : test test : test test
শিরোনাম :
ইস্টার্ন প্লাজার ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগ    মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে উত্তাপ ।    খাবার, আড্ডা আর উদযাপন — সব এক ছাদে, উত্তরায় খুললো ওয়াটার পার্ক    ৪৯তম বিসিএসের গেজেট: যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ শিবিরের    আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পাবনায় সমকালের জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব    ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: দেলাওয়ারকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতির নির্দেশ    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের মতবিনিময়    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা জজ শরীফ মুহাম্মদ লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল    অভিযোগের পাহাড়, তবুও বেপরোয়া কাজল রেখা    বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজের বদলিতে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় স্বস্তি   

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর হিসেবে পরিচিত পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী গ্রুপ শত শত কৃষকের জমি দখল, তাদের নাজেহাল করা এবং গ্রাহকদের শত কোটি টাকা নিয়ে নয়ছয় করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিগত ১৭ বছর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে সুসম্পর্কের জেরে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী গ্রুপ তাদের অবৈধ কর্মকান্ড অব্যাহত রাখছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার অন্যতম দোসর প্রবাসী পল্লী গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহিদুর রহমান মুহিদ। যার সাথে ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্টতা। শেখ রেহানাকে ম্যানেজ করে তারই ভাই হাবিবুর রহমান হাবিবকে সিলেট-৩ আসনের বিনা ভোটের এমপি বানিয়েছিলো। মুহিদ ছিলো ২০২১ সালের তাঁতী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক । শেখ রেহানার কয়েকজন ক্যাশিয়ারের অন্যতম একজন ছিলো মুহিদুর রহমান মুহিদ। আবাসন ব্যবসার আড়ালে প্রবাসী পল্লী গ্রুপ ফ্যাসিস্টদের কালো টাকা নিরাপদে রাখার গোপন চুক্তিতে কাজ করছে সংশ্লিস্টদের ধারনা। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের পলাতক প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার কালো টাকা বিনিয়োগ হয়েছে প্রবাসী পল্লী গ্রুপে। খাল, বিল, নীচু জমি, জলাশয় ভরাট এবং ফসলি জমি সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ উঠছে এই প্রবাসী পল্লী গ্রুপের বিরুদ্ধে।
উচ্চ আদালতের রিটের এক কাগজ দেখিয়ে এবং সাধারন মানুষদের ভুল বুঝিয়ে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কৃষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কৃষকদের বিঘা বিঘা জমি দখল এবং প্রকল্পের নামে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রবাসী পল্লী রয়েছে গ্রুপটির বিরুদ্ধে ।
 প্রবাসী পল্লী লিমিটেড যেটি নরসিংদীর মাধবদীর কান্দাইল মৌজায় গড়ে উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, এই ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি বিগত প্রায় বিগত সতের বছর ধরে “প্রবাসী পল্লী হাউজিং প্রকল্প”-এর মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে আসছে। কিন্তু তাদের প্রকৃত কেনা জমি সামান্য। মৌজার বাকী জমিগুলো কথিত বায়না এবং জোরপূর্বক দখলে নিয়ে কেনা বেচার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
অভিযোগ রযেছে যে, প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতি প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে শত শত কোটি টাকা গ্রহণ করে, যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

এছাড়া, উক্ত কোম্পানির চেয়ারম্যান জনাব হাবিবুর রহমান (সাবেক সংসদ সদস্য, সিলেট-৩) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে নরসিংদী জেলার কান্দাইল মৌজায় স্থানীয় কৃষকদের জমি জোরপূর্বক দখল, বালু ভরাট এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে নামমাত্র মূল্যে জমি রেজিস্ট্রি করিয়ে নেওয়ার অভিযোগও বিদ্যমান। এর মাঝে রয়েছে ১৩৫৪, ১৩৬১,১৩৬২,১৩৭০,১৩৭২,১৩৯৩ এবং ১৩৯৫ মৌজা। এর মাঝে অধিকাংশগুলোই বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাথে সুসম্পর্ক থাকায় স্থানীয় কৃষক ও জমির মালিকগন থানা পুলিশ এবং কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি।

প্রতিবাদকারীদের নিকট পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী গ্রুপ হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং ৬১২৯/২০১১ দেখানো হচ্ছে, যেখানে এলাকায় শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার জন্য আদালত কর্তৃক প্রশাসনকে বলা হয়েছে। এবং এটি চার সপ্তাহের জন্য ছিল আদেশটি। অথচ এ কাগজ দেখিয়ে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী গ্রুপের নিকট কৃষকদের জমি বিক্রির কথা বলা হয়েছে মর্মে প্রচার করে চাপ প্রয়োগ করা হয়। এ কাগজ প্রদর্শন করে দাবি করা হয় যে, উক্ত মৌজায় তাদের এককভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমতি রয়েছে এবং অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সেখানে জমি ক্রয় করতে পারবে না। পরবর্তীতে, সংশ্লিষ্ট রিটের অপব্যবহার করে উকিল নোটিশ প্রেরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ব্যাপক হয়রানি করা হচ্ছে, যা মাননীয় উচ্চ আদালতের আদেশের অপব্যবহার এবং আদালতের অবমাননার শামিল।
বিগত  ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে সরকার পরিবর্তনের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ কিছু সময় পলাতক থাকলেও, ২০২৬ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সমযে তারা পুনরায় উক্ত প্রকল্প এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সাথে সমন্বয় করে পূর্বের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছেন বলে অভিযোগ রযেছে। যার মাধ্যমে শত শত কৃষকের জমি জোরপূবক দখল করা হচ্ছে।

বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে নরসিংদী মাধবদী থানায় দায়েরকৃত একটি মামলা করে প্রশাসনকে আবারো পূর্বের মতো ভূয়া তথ্যের মাধ্যমে প্রবাসী পল্লী লিমিটেডকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়েছে। যেখানে পুনরায় রিট পিটিশন নং ৬১২৯/২০১১-এর অবতারনা করা হয়েছে। বিগত ০২/১০/২০২৪ করা দেওয়ানি মামলা নং: ১২১/২০২৪ ইং রায়ে সদর সহকারী জজ আদালত, নরসিংদী, কান্দাইল মৌজায় মামলায় উল্লেখিত জমিতে কোনো প্রকার কাজ করা যাবে না, মর্মে রায় প্রদান করে, কিন্তু প্রবাসী পল্লী আদালতের রায় কে উপেক্ষা করে এসকল জমিতে কাযক্রম চলমান রেখেছে। যাহা আদালতের রায়কে অবমাননা করার সামিল। এ ব্যাপারে ভোক্তভোগী জমির মালিকগন স্থানীয় প্রশাসন, ভূমি মন্ত্রনালয়, গনপূর্তসহ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ত্বরিত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।


This News Visited : 122 Times





Logo


সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবু হানিফ,
প্রকাশকঃ রাবেয়া খাতুন
নির্বাহী সম্পাদক ডক্টর মোঃ মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান (নজরুল)
কর্পোরেট অফিসঃ ৫১,৫১/এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (লিফটের-৬)পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগঃ ০১৯১১১০৭০২৬

© Copyright, Voice of Dhaka
Developed BY Tiger Infotech